চুনতি আমার জন্মভূমি। এই মাটিতে আমার শৈশব কেটেছে, এখানেই আমার শিক্ষার হাতেখড়ি, আর এর প্রতি আমার ভালোবাসা আজীবনের। চুনতির সুনামে আমি গর্বিত হই, আর এর মানুষের মধ্যে বিভেদ দেখলে ব্যথিত হই। সেই ভালোবাসা ও দায়বোধ থেকেই আজ একটি স্পর্শকাতর, কিন্তু অত্যন্ত জরুরি বিষয়ে কলম ধরেছি। বিষয়টি আমাদের ইতিহাসের প্রতি সুবিচার এবং আগামী প্রজন্মের মানস গঠনের সঙ্গে গভীরভাবে জড়িত।চুনতির শিক্ষা, ইসলামী সংস্কৃতি, দাওয়াহ, ধর্মীয় অনুশীলন ও সমাজজীবনের বিকাশে যাঁরা অসামান্য অবদান রেখেছেন, তাঁদের কাউকে কাউকে ‘বহিরাগত’ বলে খাটো করার একটি প্রবণতা আমাকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে। কারও পূর্বপুরুষ অন্য এলাকা থেকে এসেছিলেন, এটি একটি ঐতিহাসিক তথ্য হতে পারে। কিন্তু সেই তথ্য যখন কাউকে হেয় করার, তাঁর অবদান অস্বীকার করার কিংবা চুনতির প্রতি তাঁর আপনত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করার হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন তা কেবল ব্যক্তির প্রতি অন্যায় নয়, আমাদের নিজেদের ইতিহাসের প্রতিও অবিচার।তাই আমার প্রশ্ন খুব সোজা: যিনি এই গ্রামের সন্তানদের হাতে জ্ঞানের আলো তুলে দিয়েছেন, মানুষকে দ্বীনের পথে আহ্বান করেছেন, প্রতিষ্ঠানকে নিজের শ্রম ও মেধা দিয়ে সমৃদ্ধ করেছেন এবং সমাজকে এগিয়ে নিয়েছেন, তাঁকে আমরা কোন যুক্তিতে ‘পর’ বলে দূরে ঠেলে দেব?ইসলামের শিক্ষা: মর্যাদার মাপকাঠি জন্মস্থান নয়যে চুনতি দ্বীনি চেতনার জন্য দেশজুড়ে পরিচিত, সেখানে জন্মস্থান দিয়ে মানুষের মূল্য নির্ধারণ করা আমাদের নিজেদের ঐতিহ্যের সঙ্গেই সাংঘর্ষিক। আল্লাহ তাআলা বলেছেন:“হে মানুষ, আমি তোমাদের এক পুরুষ ও এক নারী থেকে সৃষ্টি করেছি এবং তোমাদের বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে বিভক্ত করেছি, যাতে তোমরা পরস্পরকে চিনতে পারো। নিশ্চয়ই আল্লাহর কাছে তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তিই সর্বাধিক সম্মানিত, যে সর্বাধিক তাকওয়াসম্পন্ন।” (সূরা আল-হুজুরাত, ৪৯:১৩)বিদায় হজের ভাষণে রাসুলুল্লাহ (সা.) ঘোষণা করেছিলেন, অনারবের ওপর আরবের কিংবা আরবের ওপর অনারবের কোনো শ্রেষ্ঠত্ব নেই; শ্রেষ্ঠত্বের একমাত্র মানদণ্ড তাকওয়া (মুসনাদে আহমদ)। অর্থাৎ ইসলাম মানুষের মর্যাদা মাপে তার চরিত্র ও কর্ম দিয়ে, তার জন্মস্থান বা বংশের ঠিকানা দিয়ে নয়।ইসলামের ইতিহাসের সবচেয়ে উজ্জ্বল অধ্যায়টিও রচিত হয়েছিল ‘বহিরাগত’ ও স্থানীয় মানুষের ভ্রাতৃত্বে। মক্কা থেকে হিজরত করে আসা মুহাজিরদের মদিনার আনসাররা আপন করে নিয়েছিলেন, ভাগ করে নিয়েছিলেন ঘর, জমি ও জীবিকা। সেই মিলন থেকেই গড়ে উঠেছিল এক আদর্শ সমাজ। আনসাররা যদি মুহাজিরদের ‘বহিরাগত’ বলে দূরে সরিয়ে রাখতেন, ইতিহাস আজ অন্যভাবে লেখা হতো।রাসুলুল্লাহ (সা.) আরও বলেছেন, “যে মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞ নয়, সে আল্লাহর প্রতিও কৃতজ্ঞ নয়।” (সুনানে আবু দাউদ; জামে তিরমিজি) যাঁরা আমাদের গ্রামকে জ্ঞান ও দ্বীনের আলো দিয়েছেন, তাঁদের প্রতি অকৃতজ্ঞতা তাই কেবল সামাজিক ভুল নয়, একটি নৈতিক ব্যর্থতাও।একটি জনপদ গড়ে ওঠে বহু মানুষের সাধনায়কোনো জনপদের ইতিহাস কেবল জন্মসূত্রের হিসাব নয়। মানুষ এক স্থান থেকে অন্য স্থানে যায় শিক্ষার জন্য, জীবিকার জন্য, বিবাহের সূত্রে কিংবা মানুষের সেবা ও দ্বীন প্রচারের উদ্দেশ্যে। তাঁদের সঙ্গে আসে জ্ঞান, অভিজ্ঞতা, কর্মদক্ষতা এবং নতুন সম্ভাবনা। স্থানীয় মানুষের সঙ্গে তাঁদের সম্মিলিত প্রয়াসেই একটি জনপদ সমৃদ্ধ হয়।চুনতির প্রকাশিত ইতিহাসেও বিভিন্ন স্থান থেকে এসে বসতি স্থাপন এবং ইসলাম প্রচারে যুক্ত হওয়ার বিবরণ পাওয়া যায়। এসব বিবরণ মনে করিয়ে দেয়, চুনতির গৌরবময় ঐতিহ্য কোনো একক গোষ্ঠীর নয়, বহু মানুষের সম্মিলিত সাধনার ফল। সত্যি বলতে, ইতিহাসের যথেষ্ট পেছনে গেলে আমাদের অনেকের পূর্বপুরুষই কোনো না কোনো সময় অন্য কোথাও থেকে এসেছিলেন। তবে প্রত্যেক ব্যক্তির জন্মস্থান ও বসতিস্থাপনের ইতিহাস আলাদাভাবে যাচাই করা প্রয়োজন; কাউকে নির্বিচারে ‘অভিবাসী’ বলে চিহ্নিত করাও যথাযথ নয়।আমার কাছে আসল প্রশ্ন দুটি: মানুষটি কোথা থেকে এসেছিলেন, এবং তিনি চুনতিকে কী দিয়েছিলেন? শুধু প্রথম প্রশ্নটি নিয়ে ব্যস্ত থেকে দ্বিতীয়টি ভুলে গেলে আমরা নিজেদের ইতিহাসকেই অসম্পূর্ণ করে ফেলি।যাঁদের অবদান শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করিএই প্রসঙ্গে আমি গভীর শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি চারজন মানুষকে: শাহ সুফি মাওলানা নজির আহমদ, আমাদের শ্রদ্ধেয় হুজুর; জনাব আবদুস সোবহান খান; উস্তাযুল আসাতিযাহ শাহ মাওলানা আবু তাহের মুহাম্মদ নাযের; এবং আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম।শাহ সুফি মাওলানা নজির আহমদ: চুনতির ধর্মীয় ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যের আলোচনায় তাঁর নাম সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হয়। চুনতির ইতিহাসবিষয়ক প্রকাশিত লেখায় তাঁকে এই জনপদের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্বদের মধ্যে স্থান দেওয়া হয়েছে। তাঁর স্মরণ আমাদের সেই ঐতিহ্যের কথা মনে করিয়ে দেয়, যেখানে একজন আলেমের মর্যাদা নির্ধারিত হয় তাঁর জ্ঞান, চরিত্র এবং মানুষের জীবনে রেখে যাওয়া প্রভাব দিয়ে।জনাব আবদুস সোবহান খান: তাঁর জীবন শিক্ষা, উদ্যোগ ও চুনতির সঙ্গে স্থায়ী বন্ধন গড়ে তোলার এক তাৎপর্যপূর্ণ দৃষ্টান্ত। তাঁর পুত্র মাওলানা মুসলিম খানের প্রকাশিত জীবনী অনুযায়ী, তিনি দেওবন্দে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করেন, কলকাতায় ব্যবসা পরিচালনা করেন এবং পরে চুনতিতে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন। একজন মানুষের জ্ঞান, অভিজ্ঞতা ও পারিবারিক বন্ধন কীভাবে একটি জনপদের জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে যায়, তাঁর জীবন তারই সাক্ষ্য।উস্তাযুল আসাতিযাহ শাহ মাওলানা আবু তাহের মুহাম্মদ নাযের: তিনি আমার শ্রদ্ধেয় পিতা। তাই তাঁর নাম উল্লেখ করার সময় আমার ব্যক্তিগত আবেগ থাকা স্বাভাবিক, এবং পাঠকের কাছে সে কথা আমি অকপটে স্বীকার করি। তবে আত্মীয়তার বাইরেও তাঁর শিক্ষাদানের ভূমিকার প্রকাশিত সাক্ষ্য রয়েছে। চুনতি হাকিমিয়া মাদ্রাসায় শিক্ষালাভকারী শাহ মুহাম্মদ কুতুবুদ্দীনের জীবনীতে তাঁকে অন্যতম উস্তাদ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। একজন শিক্ষকের অবদান তাঁর জীবদ্দশায় শেষ হয় না; ছাত্রদের জ্ঞানচর্চা ও কর্মজীবনের মধ্য দিয়ে তা প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে প্রবাহিত হয়।আল্লামা মুফতি মুহাম্মদ ইব্রাহিম: মাওলানা মুসলিম খানের প্রকাশিত জীবনীতে মুফতি মাওলানা ইব্রাহিমের নাম তাঁর শিক্ষকদের তালিকায় রয়েছে। এই উল্লেখ চুনতির শিক্ষাধারায় তাঁর ভূমিকার একটি স্পষ্ট সাক্ষ্য। আমরা যখন কোনো কৃতী মানুষের অর্জনের কথা বলি, তখন তাঁকে যাঁরা গড়ে তুলেছেন, সেই শিক্ষকদের কথাও মনে রাখা আমাদের কর্তব্য।এঁদের জীবন ও কর্মের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ সংগ্রহ করা আমাদের দায়িত্ব। তাঁদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর সবচেয়ে সুন্দর উপায় হলো তাঁদের প্রকৃত অবদান নির্ভুলভাবে সংরক্ষণ করা এবং সেই অবদান থেকে শিক্ষা নেওয়া।চুনতিকে গড়ে তোলা মানে মানুষকে গড়ে তোলাউন্নয়নের কথা উঠলে আমরা প্রায়ই রাস্তা, দালান ও অবকাঠামোর কথা ভাবি। এগুলোর প্রয়োজন অবশ্যই আছে। কিন্তু যে শিক্ষক একজন শিক্ষার্থীর জীবন বদলে দেন, যে আলেম মানুষকে তার ধর্মীয় দায়িত্ব সম্পর্কে সচেতন করেন, যে সমাজসেবক বিপদে মানুষের পাশে দাঁড়ান, তাঁরাও একটি গ্রামকে গড়ে তোলেন, এবং সেই নির্মাণ অনেক বেশি স্থায়ী।ইসলামী শিক্ষার বিস্তার, দাওয়াহর পরিবেশ সৃষ্টি এবং ধর্মীয় অনুশীলনকে মানুষের দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে যুক্ত করা গভীর সামাজিক কাজ। এর সার্থকতা প্রকাশ পায় মানুষের সততায়, পারস্পরিক সম্মানে, দায়িত্ববোধে এবং দুর্বল মানুষের প্রতি সহমর্মিতায়। একটি বিদ্যালয়ের ভবন চোখে দেখা যায়; কিন্তু একজন শিক্ষকের কারণে বদলে যাওয়া অসংখ্য জীবনের প্রভাব বুঝতে সময় লাগে। চুনতির বিকাশের মূল্যায়নে তাই মানুষের চরিত্র ও চিন্তার এই নির্মাণকেও যথাযোগ্য স্থান দিতে হবে।‘বহিরাগত’ তকমার মূল্য দিতে হবে আমাদেরইযাঁদের শ্রমে একটি প্রতিষ্ঠান দাঁড়িয়েছে, যাঁদের শিক্ষায় বহু মানুষ উপকৃত হয়েছেন, তাঁদের অবদান খাটো করলে আসলে আমাদের নিজেদের অর্জনই ছোট হয়ে যায়। কারণ চুনতির যে সুনাম নিয়ে আমরা গর্ব করি, তার একটি বড় অংশ তাঁদের হাতেই গড়া।এর মূল্য দিতে হবে ভবিষ্যৎকেও। পরের প্রজন্ম যদি শেখে যে সমাজের জন্য জীবন উৎসর্গ করলেও কৃতজ্ঞতার নিশ্চয়তা নেই, তবে কোনো গুণী মানুষ আর এই গ্রামের সেবায় এগিয়ে আসতে উৎসাহ পাবেন না। যে জনপদ নিজের উপকারীদের ‘পর’ বলে, সে নতুন উপকারী পায় না। উদার, কৃতজ্ঞ ও আতিথেয় চুনতিই পারে আগামী দিনেও জ্ঞানী ও সেবাপরায়ণ মানুষকে আকৃষ্ট করতে।ভিন্নমত থাকুক, অবজ্ঞা নয়তরুণদের প্রতি আমার আন্তরিক আহ্বান: ইতিহাস জানো, প্রশ্ন করো, তথ্য যাচাই করো। পূর্বসূরিদের কোনো বক্তব্য বা কাজের সঙ্গে দ্বিমত থাকতেই পারে। শ্রদ্ধা দেখানোর অর্থ সব বিষয়ে একমত হওয়া নয়।কিন্তু সমালোচনা হতে হবে নির্দিষ্ট বক্তব্য ও কাজের ভিত্তিতে। কারও পারিবারিক উৎস বা জন্মস্থানকে তুচ্ছ করার অস্ত্র বানানো যুক্তিপূর্ণ সমালোচনা নয়। একইভাবে, কারও বিরূপ বক্তব্য দেখেই তাঁর অন্তরের উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত রায় দেওয়াও উচিত নয়। ব্যক্তিকে অপমান না করেও বক্তব্যের ভুলটি স্পষ্টভাবে তুলে ধরা যায়, আর সেটাই প্রকৃত শিক্ষিত মানুষের পরিচয়।আমি চাই আমাদের তরুণেরা পূর্বসূরিদের অর্জনকে আরও এগিয়ে নিক। তাঁদের সীমাবদ্ধতা থাকলে তা থেকে শিক্ষা নিক; তাঁদের মহৎ কাজ থাকলে তার চেয়েও বড় কাজ করার স্বপ্ন দেখুক।আমাদের করণীয়: ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্যোগকৃতজ্ঞতা কেবল আবেগের বিষয় নয়; তাকে কাজে রূপ দিতে হয়। এ লক্ষ্যে কয়েকটি উদ্যোগ নেওয়া যেতে পারে:জীবনী সংকলন: চুনতির আলেম, শিক্ষক, দাওয়াহকর্মী, দাতা ও সমাজসেবকদের জীবনকথা নিয়ে একটি তথ্যসমৃদ্ধ সংকলন প্রকাশ করা, যেখানে স্থানীয় ও বাইরে থেকে এসে আপন হয়ে যাওয়া সবাই সমান মর্যাদায় স্থান পাবেন।তথ্য ও দলিল সংগ্রহ: পুরোনো নথি, প্রতিষ্ঠানের রেকর্ড, চিঠিপত্র ও ছবি সংগ্রহ এবং প্রবীণদের স্মৃতিচারণ ধারণ করা। মৌখিক স্মৃতিকে গুরুত্বপূর্ণ সূত্র হিসেবে গ্রহণ করতে হবে, আবার সম্ভব হলে অন্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়েও দেখতে হবে।ডিজিটাল আর্কাইভ: চুনতি ডটকমের মতো প্ল্যাটফর্মে একটি স্থায়ী অনলাইন আর্কাইভ গড়ে তোলা, যাতে দেশ-বিদেশে ছড়িয়ে থাকা চুনতির মানুষ ও নতুন প্রজন্ম সহজে এই ইতিহাস জানতে পারে।তরুণদের সম্পৃক্ততা: এই কাজে স্থানীয় তরুণেরা বড় ভূমিকা রাখতে পারে। কারও জন্মস্থানকে বিতর্কের বিষয় বানানোর চেয়ে তাঁর কাজের দলিল উদ্ধার করা অনেক বেশি মূল্যবান ও গৌরবের।প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি: যেসব প্রতিষ্ঠান এই মানুষদের শ্রমে গড়ে উঠেছে, সেখানে তাঁদের অবদানের যথাযথ স্বীকৃতি ও স্মরণের ব্যবস্থা করা।শেষ কথাচুনতির সন্তান হিসেবে আমি দৃঢ়ভাবে বলতে চাই: এই গ্রামের জন্য যাঁরা জীবনভর কাজ করেছেন, তাঁদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আমাদের সবার নৈতিক দায়িত্ব। তিনি আমার পিতা হোন কিংবা অন্য কোনো পরিবারের মানুষ, অবদানের মূল্যায়নে ন্যায়বোধই আমার একমাত্র মানদণ্ড।আমার প্রিয় চুনতির পরিচয় হোক জ্ঞান, উদারতা, দ্বীনি চেতনা এবং মানুষের প্রতি সম্মানে। যাঁরা এই মাটিতে জ্ঞানের আলো জ্বেলেছেন, তাঁরা ‘বহিরাগত’ নন; তাঁদের স্মৃতি আমাদের আপন উত্তরাধিকার, আমাদের গর্ব।মানুষের জন্মস্থান তাঁর পরিচয়ের একটি অংশ মাত্র; মানুষের জন্য তাঁর কাজই তাঁকে আমাদের হৃদয়ে স্থায়ী আসন দেয়।
Make sure you enter the(*)required information